গাংনীর মাথাভাঙ্গা নদীর সরকারী জমি দখলের অপচেষ্টা

গাংনীর মাথাভাঙ্গা নদীর সরকারী জমি দখলের অপচেষ্টা

শেয়ার করুন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার আমতৈল-কেশবনগর ভোলাডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর চরের ১২.৫০ একর জমি জবর দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এলাকার কয়েকটি প্রভাবশালী। এসএ ও সিএস রেকর্ডে নদীর জমি হিসেবে রেকর্ড থাকলেও গ্রামের মহাম্মদ ফৌজ, হিরাজ, আবুল ও আকুব্বর অপকৌশলে ও ভূয়াভাবে আরএস রেকর্ড করে দখলের চেষ্টা করে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ নানাকাজে এই জমি ব্যবহার করে আসছে।
এব্যাপারে একযুগ ধরে সরকারের সাথে ওই চার ব্যাক্তির ওয়ারিশগনের সাথে আদালতে মোকদ্দমা চলমান।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পাশে ছিল নদীর অবস্থান। কালের বিবর্তনে নদী ক্রমশঃ সরে যায় পূর্ব দিকে। চরপড়ে রাস্তার পাশে। সুযোগ বুঝে মোহাম্মদ, আবুল হিরাজ ও আকুব্বর ফোজ ভূয়া আরএস রেকর্ড করে দখলের চেষ্টা করে। বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হলে তাদেরকে উচ্ছেদ করে জনগনের জন্য উম্মুক্ত করেন।
গ্রামের তাইজাল জানান, উম্মুক্ত খাস জমিতে সাধারণ জনগন ফসল মাড়াই করে, ছেলেরা ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা করে থাকে। তাছাড়া ওই চরের উপর দিয়ে লোকজন নদীতে গোসল করা ছাড়াও গৃহস্থালি কাজ করে। কিন্তু প্রভাবশালী মহলটি বারবার জনগনকে বাধা দেয় ও জমি দখলের অপচেষ্টা করে। একই কথা জানালেন আজিজুল, সিরাজুল, আমির মন্ডল ও মাবুদ।
আমিন মন্ডল জানান, বছর দুয়েক আগেও জমি মদখলে নেয়ার চেষ্টা করলে গাংনীর এসি ল্যান্ড এসে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে সরকারি জমি হিসেবে নির্দেশ করেন। এই জমি এলাকার মানুষের গোচারণ ভূমিসহ কৃষির নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। উন্মুক্ত আছে বিধায় এলাকার মানুষের স্বস্তি আছে। কেননা নদীপাড়ের এই জমি যদি কারও দখলে যায় তাহলে এলাকার মানুষ বিপাকে পড়বেন।
স্থানীয়দের দাবি, কোন অপশক্তি জমি যাতে জবর দখল না করতে পারে সেলক্ষ্যে তারা সজাগ রয়েছে। অপরদিকে যারাই ভূয়া তথ্য দিয়ে সরকারি জমি রেকর্ড করে নিয়েছিল তারা এলাকার চিহ্নিত লোক। তাদের সাজা হওয়া জরুরী। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ সরকারি জমি এমন ভূয়া তথ্যে নিজের নামে রেকর্ড করতে না পারে।

গাংনী উপজেলা